সৌমেন্দ্র মুখোপাধ্যায়
রচনাবলী (৪)

সৌমেন্দ্র মুখোপাধ্যায়
সনাতন ধর্মের মূল দর্শন, প্রাচীন উপাখ্যান এবং আধ্যাত্মিক শিক্ষাকে সহজ-সরল ভাষায় সাধারণ পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই বইটি রচিত হয়েছে। আমাদের প্রাচীন পুরাণ, বেদ বা উপনিষদের অনেক গল্পই আমরা লোকমুখে শুনে বড় হই। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সেই গল্পগুলোর আসল আধ্যাত্মিক রহস্য বা গভীর জীবন দর্শন ঢাকা পড়ে যায়। লেখক সৌমেন্দ্র মুখোপাধ্যায় তাঁর 'সনাতন ধর্মের আলো' গ্রন্থে সেইসব অমূল্য আলোকিত কাহিনীর এক বিনম্র সংকলন তৈরি করেছেন, যা কেবল ধর্মের গল্প নয়, বরং সঠিক জীবন যাপনের পথ দেখায় ।

সৌমেন্দ্র মুখোপাধ্যায়
১৫৩৪ খ্রিস্টাব্দে পুরী ধামে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর আকস্মিক নিখোঁজ বা ইহলীলা সংবরণ আজও ইতিহাস ও ধর্মতত্ত্বের এক অমীমাংসিত অধ্যায়। বৈষ্ণব ভক্তদের বিশ্বাস অনুযায়ী তিনি জগন্নাথ দেবের বিগ্রহে কিংবা তোটা গোপীনাথের মূর্তিতে বিলীন হয়ে গিয়েছিলেন। তবে সমসাময়িক ঐতিহাসিক ও গবেষকদের একাংশ মনে করেন, এর পেছনে কোনো গভীর রাজনৈতিক বা সামাজিক চক্রান্ত লুকিয়ে ছিল। লেখক সৌমেন্দ্র মুখোপাধ্যায় এই অলৌকিক বিশ্বাস এবং ঐতিহাসিক যুক্তির মাঝখানের সত্যটি উন্মোচনের চেষ্টা করেছেন।

সৌমেন্দ্র মুখোপাধ্যায়
সনাতন সময় গণনা এবং অলৌকিক বিশ্বাস অনুযায়ী, গভীর রাতের একটি নির্দিষ্ট সময়কে (সাধারণত রাত ১২টা থেকে ৩টে, যাকে নিশুতি রাত বা তৃতীয় প্রহর বলা হয়) অশরীরী বা অতিপ্রাকৃত শক্তির সক্রিয় হওয়ার সময় ধরা হয়। একেই বলা হয় 'প্রেত প্রহর'। গল্পের মূল আবহ গড়ে ওঠে এই বিশেষ সময়ে ঘটে যাওয়া কিছু হাড়হিম করা অতিপ্রাকৃত ঘটনাকে কেন্দ্র করে।

সৌমেন্দ্র মুখোপাধ্যায়
গল্পের মূল পটভূমি গড়ে উঠেছে একটি পাহাড়ি বা প্রত্যন্ত অঞ্চলের নির্জন এবং কুয়াশাচ্ছন্ন উপত্যকায় অবস্থিত এক সুপ্রাচীন ব্রিটিশ আমলের বাংলোকে কেন্দ্র করে। এই বাংলোটি স্থানীয় মানুষের কাছে 'মিস ডরোথীর বাংলো' নামে পরিচিত। লোকশ্রুতি রয়েছে যে, বহু বছর আগে এখানে বসবাসকারী এক ব্রিটিশ নারী বা মেমসাহেব 'মিস ডরোথী'-র রহস্যময় মৃত্যু ঘটেছিল। সেই থেকে বাংলোটিকে ঘিরে জড়িয়ে রয়েছে নানা অলৌকিক কুসংস্কার এবং এক অভিশপ্ত ইতিহাস।
সম্পর্কিত লেখা
এই লেখক সম্পর্কে এখনও কোনো লেখা নেই।