সুকুমার রায়ের বিখ্যাত ‘আবোল তাবোল’ কবিতার অন্তর্গত ‘কাঠ-বুড়ো’ একটি অত্যন্ত হাস্যরসাত্মক ও ননসেন্স চরিত্রের কবিতা। কবিতার কেন্দ্রীয় চরিত্র এক বৃদ্ধ বা 'কাঠ-বুড়ো', যিনি হাঁড়ি নিয়ে রোদে বসে ভিজে কাঠ সেদ্ধ করে চেটে খান। তিনি মাথা নেড়ে গুঞ্জরন করে গান করেন এবং নিজেকে খুব বড় পণ্ডিত বলে জাহির করতে চান।আবলুস-তাবলুস বকা: তাঁর বিড়বিড় কথার কোনো অর্থ হয় না, যেমন—“আকাশেতে ঝুল ঝোলে, কাঠে তাই গর্ত”। তিনি ফাটা কাঠ, ফুটো কাঠ নিয়ে নানা অদ্ভুত হিসাব কষেন, কোন ফুটো খেতে ভালো আর কোন ফাটলের কেমন গন্ধ—তা নিয়ে মেতে থাকেন।সংক্ষেপে, এই কবিতায় কবির অবাস্তব কল্পনা ও চমৎকার ছন্দের জাদুতে এক খেয়ালী ও উটকো বুড়োর মানসিকতার নিখুঁত ও হাসিখুশি রূপ ফুটে উঠেছে।