← Authors
শ

Shanta Sreemani

Works (3)

Mughal Garden
Mughal Garden

Shanta Sreemani

সাধারণত রাজা ও সম্রাটরা নিজেদের কীর্তিকে অক্ষয় করে রাখার জন্য প্রাসাদ স্তম্ভ মিনার নির্মাণ করেন। কিন্তু মোঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবর কোনো প্রাসাদ স্তম্ভ বা মিনার নির্মাণ করেননি, পরিবর্তে তিনি তৈরি করেছিলেন অজস্র রাজকীয় বাগান। বাবরের এই বাগান-প্রীতি শুধু তাঁর বংশধরদের মধ্যেই নয়, সেনাপতি, আমীর, আমলা, উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গের মধ্যেও জারিত হয়েছিল। এই বাগানগুলির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মোঘল সাম্রাজ্যের নানা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মোঘল সাম্রাজ্যের এক দিক যেমন যুদ্ধবিগ্রহ, খুনোখুনি, রক্তে রাঙা— আর একদিক সাহিত্য, সঙ্গীত, স্থাপত্য, শিল্পকলায় সমৃদ্ধ। সেই সঙ্গে আর এক সংযুক্তি তাঁদের বাগানবিলাস। ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে ১০০টিরও বেশি বাগানের ইতিহাস, স্থাপত্য দুই মলাটে গ্রন্থিত হল। মোঘল ও বিদেশি শিল্পীদের আঁকা অজস্র ছবির অন্তর্ভুক্তি বইটিকে দ্যুতিময় করে তুলেছে।

₹400
Pathuriaghatar Itibritta
Pathuriaghatar Itibritta

Shanta Sreemani

১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে সিরাজদৌল্লার পতনের পর ইংরেজরা ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ নির্মাণের প্রয়োজনে গোবিন্দপুরের বাবুদের জমি-বাড়ি দখল করে। পরিবর্তে বাবুদের জমি দেয় সুতানুটি অঞ্চলে— সেই থেকে কলকাতা ব্ল্যাক টাউন আর হোয়াইট টাউনে ভাগ হয়ে গেল। সুতানুটিতে বাবুদের আধিপত্য গড়ে উঠল। সামান্য ইংরেজি-জানা ইংরেজ-ঘনিষ্ঠ বাবুদের রমরমার দিন, বিলাসিতার দিন শুরু হল। বাবুদের বিলাসিতার চরম নিদর্শন দেখা গেল— বুলবুলির লড়াই, কাঙালি ভোজন, মন্দির ও প্রাসাদোপম বাড়ি নির্মাণ, দুর্গাপুজো, শোভাযাত্রা, নাচ-গান সবেতেই, বাবুয়ানির রোশনাই লাগল সংস্কৃতি জগতেও। পাথুরিয়াঘাটা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসে বিপুল পরিবর্তন ঘটল। বাবুদের বিলাসিতার চমকপ্রদ অজস্র ঘটনাসহ অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীর পাথুরিয়াঘাটা ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলের নিপুণ চিত্র সবিস্তারে বর্ণিত হয়েছে এই গ্রন্থে। সেই সময়কালের অজস্র ফটোগ্রাফের অন্তর্ভুক্তি গ্রন্থের মর্যাদা বৃদ্ধির দাবী রাখে।

₹750
Itihaser Durga Durger Itihas
Itihaser Durga Durger Itihas

Shanta Sreemani

গ্রন্থ পরিচয়:কুম্ভলগড় দুর্গের ৩৮টি বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম প্রাচীর। আটটি ঘোড়া পাশাপাশি চলতে পারে এই চওড়া প্রাচীরের ওপর দিয়ে। কুম্ভলগড় দুর্গে চাষবাসও হত। রাতেও যাতে চাষীরা কাজ করতে পারে সেজন্য প্রতিদিন ৫০ কেজি ঘি ও ১০০ কেজি তুলো দিয়ে দুর্গপ্রাচীরে বিশাল বিশাল মশাল জ্বালাবার ব্যবস্থা করেছিলেন রাণা কুম্ভ। গুজরাতপতি বাহাদুর শাহের চিতোর দুর্গ আক্রমণের সময় রুখে দাঁড়িয়েছিলেন রাণী জবহর বাই। শত্রুর ছোঁড়া গোলার আঘাতে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। হাসি মস্করাতেই মেতে থাকতেন চিতোরের রানা লক্ষসিংহ। এই মস্করার কারণেই জ্যেষ্ঠ পুত্র যুবরাজ চণ্ডের সিংহাসনে বসা হল না। মৃগয়ায় শশক শিকার করতে গিয়ে আরাবল্লী পর্বতের গিরওয়া উপত্যকায় পিছোলা হ্রদের তীরে রাজধানী খুঁজে পেয়েছিলেন মেবারের রাণা উদয়সিংহ। বিয়ের মতো বিয়ে হয়েছিল রাণা দ্বিতীয় সংগ্রাম সিংহের। যৌতুক হিসেবে তাঁর শ্বশুরমশাই মেয়ের সঙ্গে পাঠিয়েছিলেন মেয়ের ৪৮ জন সুন্দরী সখীকে। চিতোরের রাণা বনবীরের হাত থেকে উদ্ধার করতে ফলের ঝুড়ির মধ্যে লুকিয়ে উদয়সিংহকে চিতোর থেকে কুম্ভলগড় দুর্গে আশা শাহের আশ্রয়ে এনেছিলেন ধাত্রী পান্নাবাঈ।

₹400

Related writing

Nothing has been written about this author yet.