প্রবন্ধ ও বক্তৃতা
19 টি বই

তীর্থঙ্কর চন্দ
যে প্রাতিষ্ঠানিকতা আমাদের সবকিছুকে চালায়, বাদল সরকার সেই প্রাতিষ্ঠানিকতাকে অস্বীকার করেছিলেন। সাতের দশকে মঞ্চ ছেড়ে চলে এলেন 'অঙ্গনে'— নাটক অভিনয় হতে শুরু করল দর্শকদের মধ্যে। এটি আদতে একটি প্রতিষ্ঠান বিরোধী প্রক্রিয়া। আবার প্রতিষ্ঠান ভাঙার জন্যেও যে আয়োজন, সেটাও একটা প্রতিষ্ঠান হয়ে যায়। এই 'প্রতিষ্ঠান ভাঙার প্রাতিষ্ঠানিকতা'-কেও বাদল সরকার দেখতে পেয়েছিলেন।

অশনি দাশগুপ্ত
The art of thinking about non-routine mathematical problems can be deeply rewarding. This book on mathematical Olympiad topics aims to share effective ways of approaching such problems while nurturing a spirit of curiosity and exploration. It also introduces elements of a research-oriented mindset — an outlook that can greatly benefit readers in the long run. The book is ideal for students interested in exploring challenging problems in geometry, algebra, combinatorics, and number theory, particularly those preparing for Olympiads such as IOQM, RMO, INMO, and AMC. Some children have a natural interest in mathematical science, but school mathematics often fails to satisfy their curiosity. Math Olympiads provide an excellent opportunity for such students: contests with non-routine problems that challenge the young mind to think creatively.

প্রদীপ দত্ত
অল্প কিছু মানুষ আছেন যাঁরা পৃথিবীর থেকে যতটুকু নেন ফিরিয়ে দেন অনেক বেশি। তাঁদের মন থাকে মানুষের প্রতি ভালবাসায় ভরা। অন্যায়ের প্রতিবাদে দ্বিধাহীন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা ছাড়াও তাঁদের জীবনযাত্রা হয় অনাড়ম্বর। তাঁরা শেখান সুস্থ ও সুন্দরভাবে বাঁচতে দৃষ্টি বড় করতে হয়। যতদিন বাঁচেন আলো করে থাকেন। এই বইয়ে এরকমই কয়েকজনকে স্মরণ করা হয়েছে। কথা বলার আন্তরিক ও মর্মস্পর্শী ভঙ্গী এবং ভাষা পাঠককে স্পর্শ করবে।

সেখ সাহেবুল হক
কাকদ্বীপ থেকে কলকাতায় পড়তে আসার সময় সঙ্গে ছিল খাতাভর্তি কবিতা। সময়ের দাবি মেনে লিটিল ম্যাগাজিনে প্রকাশ পেল সেসব লেখা। শুধু লিখতে চেয়ে কত ছুটোছুটি, লেখা পাঠানো, লেখা প্রকাশিত হওয়া— একটা নিজস্ব জার্নি। লেখাই বলার মাধ্যম। সেই সূত্র ধরে এপার বাংলা তো বটেই, ওপার বাংলার আমন্ত্রণে প্রকাশিত হয়েছে লেখকের বহু লেখা। ‘মন্দিরতলার মেয়ে’ বইটির পর ‘বুকের বাঁদিকে হাত রাখলে’ বইটিও পাঠকের ভালোবাসা পেয়েছে। ‘আমার জীবনে ওরা তিনজন’ লেখকের প্রথম গল্পগ্রন্থ। সানডে সাসপেন্সে ‘নজরবন্দি’ গল্পের মাধ্যমে অডিও স্টোরির জগতে পথচলা শুরু। আকাশবাণীতেও লেখা পাঠ করার আমন্ত্রণ পেয়েছেন কয়েকবার। আনন্দবাজার, এই সময়, প্রতিদিন-সহ বিভিন্ন কাগজে লেখালিখি তাঁকে পরিশ্রুতি দিয়েছে। পরিচালক প্রদিপ্ত ভট্টাচার্যের ‘বিরহী’ ওয়েব সিরিজে কাজ করেছেন। ‘সহজিয়া’ পত্রিকার জন্মলগ্ন থেকে যুক্ত। শহুরে যাপনে সুন্দরবনের নদী-খালবিল-ম্যানগ্রোভের চেনা ছবি মিলেমিশে যায় বারবার। স্বপ্ন দেখেন মসীহা নয়, সমষ্টির স্বর হয়ে ওঠার।

গৌরাঙ্গ শ্রীবাল
দেশ, কাল, মানুষের ভেতরে জমে থাকে কথা। একদিন না একদিন তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। বোঝা যায় মানুষের মনের চিন্তাভাবনার পরিবর্তন, দৃষ্টিভঙ্গির তফাত, জীবনকে উপলব্ধি করার ক্ষমতা; যা একজন ব্যক্তিকে করে তোলে সৃষ্টির প্রতি ব্যাকুল, উন্মুখ। স্রষ্টা তার সমাজ, মানুষের জীবনযাপন ও বোধের ভেতর থেকে তুলে আনে রসদ, খুঁজে পায় বহুমুখী বা নানাবিধ ঘটনার টুকরোটাকরা প্রতিলিপি। সৃষ্টি তার স্রষ্টার ব্যক্তিচৈতন্যের সময়কে অতিক্রম করে হয়ে ওঠার চেষ্টা করে আবহমানকালের ইতিবৃত্ত। যেমন এই সংকলনের গল্পগুলি। যাতে মিশে আছে ব্যক্তিজীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা, কল্পনার রস, পর্যবেক্ষণের নির্যাস। মানুষের হতাশা, ব্যর্থতা, গ্লানি, না বলতে পারার যন্ত্রণার মতো রসায়ন; যা কোনও ব্যক্তিবিশেষের, তা-ই একদিন হয়ে ওঠে লেখকের, পাঠকের। আবার যা একদিনের তাও হয়ে যায় চিরদিনের। জীবনের নানা মাঠঘাট, প্রান্তরের মাটি দিয়ে গড়ে উঠেছিল এইসব গল্পের ভিত্তি। সেই ভিত্তি কতখানি সফল ও সুদৃঢ়ভাবে প্রতিস্থাপিত হতে পেরেছে তা বিচার করার দায়িত্ব সময়েরই হাতে থাক।

জিশান হাবিব
আদিম মানুষের নিরাপদ আশ্রয়স্থল ছিল প্রাকৃতিক গুহা। এই আবাসকে আবার শিল্পমণ্ডিত করে তুলেছিল সেকালের শিল্পীরা। আশ্রয়স্থল গুহাই তাদের আর্ট গ্যালারি। গুহা-গাত্র ছিল তাদের ক্যানভাস। ভীমবেটকা, উষাকোটি, বিক্রমখোলে এমন নিদর্শন পাওয়া গেছে। পরবর্তীকালে বিশেষ করে বৌদ্ধযুগে ধর্মীয় কারণে অনেক গুহা বিহার রচিত হয়। এসব গুহাতে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে স্থাপত্য ও ভাস্কর্যের অপূর্ব মেলবন্ধন। ভারতের প্রাচীন স্থাপত্যের ইতিহাস অনেকটাই গুহাকেন্দ্রিক। বিশিষ্ট লেখকদের লেখা চয়ন করে সহস্রাধিক বছরের প্রাচীন ভারতের বিভিন্ন গুহার পরিচয় স্থাপত্য ঐতিহ্য এই গ্রন্থে বিবৃত হল।





